'আড় ' কোন শ্রেণীর উপসর্গ?

তৎসম

বিদেশী

খাঁটি বাংলা

অর্ধ -তৎসম

Description (বিবরণ) :

প্রশ্ন: 'আড় ' কোন শ্রেণীর উপসর্গ?

ব্যাখ্যা:

খাঁটি বাংলা উপসর্গ

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি; যথা- অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়্‌, আন্‌, আব্‌, ইতি, উন্‌ (উনু, উনা), কদ্‌, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।


Related Question

নিচের কোন দ্বিরুক্ত শব্দ দুটি বহুবচন সংকেত করে?

পাকা পাকা আম

ঝির ঝির বৃষ্টি

নরম নরম হাত

উড়ু উড়ু মন

Description (বিবরণ) :

দ্বিরুক্ত শব্দকে ভাঙলে পাওয়া যায় ‘দ্বি+উক্ত’। অর্থাৎ, যা দুইবার বলা হয়েছে।

 

বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ বা পদ দুইবার ব্যবহৃত হয়ে অন্য একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। কোন শব্দ বা পদ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হয়ে কোন বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে।

যেমন- ‘আমার জ্বর জ্বর লাগছে।’

এখানে ‘জ্বর জ্বর’ দ্বিরুক্ত শব্দটি ঠিক ‘জ্বর’ অর্থ প্রকাশ করছে না। জ্বরের ভাব প্রকাশ করছে।

সঠিক উত্তর - পাকা পাকা আম।

'ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে শুনলে কিভাবে?- এখানে 'ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে' কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

ক্রিয়া বিশেষণ

সামান্য

আধিক্য

তীব্রতা

Description (বিবরণ) :

ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য/Verbal Noun : ক্রিয়ার সাথে প্রত্যয়যুক্ত করে যে বিশেষ্য তৈরি করা হয় তাকে ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য বলে।

যেমন : গমন, দর্শন/দেখা, শোনা।

এখানে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে ক্রিয়া বিশেষণ।

অনুকার অব্যয় যোগে গঠিত দ্বিরুক্তি কোনটি?

ধামা ধামা ধান আছে

আমি জ্বর জ্বর বোধ করছি

ঢং ঢং করে ঘন্টা বেজে উঠল

এত তোর জোর করে কাজটা বা শব্দ ধ্বনির অনুকরণে গঠিত

Description (বিবরণ) :

যে সকল অব্যয় অব্যক্ত রব, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় তাদের অনুকার বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বলে।

যেমন :বজ্রের ধ্বনি  : কড় কড়    মেঘের গর্জন : গুড় গুড়       বৃষ্টির তুমূল শব্দ : ঝম ঝম      সিংহের গর্জন : গর গর

স্রোতের ধ্বনি : কল কল    ঘোড়ার ডাক  : চিহি চিহি     বাতাসের গতি : শন শন    কাকের ডাক : কা কা

শুষ্ক পাতার শব্দ : মর মর  কোকিলের ডাক : কুহু কুহু    নুপূরের আওয়াজ : রুম ঝুম      চুড়ির শব্দ : টুং টাং

নিচের কোনটি কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ?

নাচ + অন

জল +আ

পাগল +আ

মাঝ +আরি

Description (বিবরণ) :

কৃৎ প্রত্যয়: ক্রিয়া প্রকৃতি বা ধাতুর শেষে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে কৃৎপ্রত্যয় বলে।

যেমন—নাচ্+অন = নাচন।

তদ্ধিত প্রত্যয়: শব্দ বা নাম প্রকৃতির শেষে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।

যেমন—ঢাকা+আই = ঢাকাই।

নিচের কোনটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ?

বিলাত-ফেরত

অহি-নকুল

গায়ে হলুদ

কলে ছাঁটা

Description (বিবরণ) :

যে সমাসে প্রতিটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে একটি সংযোজক অব্যয় (কখনো বিয়োজক) দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।

যেমন: তাল ও তমাল= তাল-তমাল, দোয়াত ও কলম= দোয়াত-কলম।

অহিনকুল = অহি - নকুল।

এখানে তাল ও তমাল এবং দোয়াত ও কলম- প্রতিটি পদেরই অর্থের প্রাধান্য সমস্ত পদে রক্ষিত হয়েছে।

 

দ্বন্দ্ব জন্য ব্যাসবাক্যে এবং, ও, আর - এই অব্যয় পদগুলো ব্যবহৃত হয়।যেমন: মাতা ও পিতা= মাতা-পিতা।