2025 সালের এইচএসসি বাংলা ১ম পত্র ময়মনসিংহ বোর্ড CQ (সৃজনশীল) প্রশ্ন ব্যাংক ও সমাধান
বোর্ড পরীক্ষায় সৃজনশীল বা CQ (সৃজনশীল) অংশে পূর্ণ নম্বর পাওয়ার মূল শর্ত হলো উত্তরের মান এবং সঠিক উপস্থাপন। আপনি যদি 2025 সালের এইচএসসি পরীক্ষার ময়মনসিংহ বোর্ড (Mymensingh Board) বোর্ডের বাংলা ১ম পত্র বিষয়ের স্ট্যান্ডার্ড এবং নির্ভুল সমাধান খুঁজে থাকেন, তবে স্যাট একাডেমি আপনাকে দিচ্ছে বোর্ড স্ট্যান্ডার্ড উত্তরের এক বিশাল ভাণ্ডার।
"কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়
তাইতে কি জাত ভিন্ন বলায়
যাওয়া কিংবা আসার বেলায়
জাতের চিহ্ন রয় কার রে।।"
গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি জহির মাতব্বর দরিদ্র ঘরের মেয়ে স্কুলপড়ুয়া রহিমাকে জোরপূর্বক পুত্রবধূ বানাতে চায়। এমনকি তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়। এই পরিস্থিতিতে রহিমার বান্ধবিরা পাশে এসে দাঁড়ায়। বান্ধবিরা বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানায়। এতে দমে যায় মাতব্বর। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রক্ষা পায় রহিমা।
“আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।”-এই আত্মনির্ভরতা যেদিন সত্যি সত্যিই আমাদের আসবে, সেই দিনই আমরা স্বাধীন হবো, তার আগে কিছুতেই নয়। নিজে নিষ্ক্রিয় থেকে অন্য একজন মহাপুরুষকে প্রাণপণে ভক্তি করলেই যদি দেশ উদ্ধার হয়ে যেতো, তাহলে এই দেশ এতদিন পরাধীন থাকতো না।
"তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,
সকিনা বিবির কপাল ভাঙলো,
সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীর।
তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা
শহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলো
দানবের মত চিৎকার করতে করতে,
তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা
ছাত্রাবাস, বস্তি উজার হলো।"
"তার চেয়ে পোষমানাকে অস্বীকার করো
অস্বীকার করো বশ্যতাকে।
চলো শুকনো হাড়ের বদলে
সন্ধান করি তাজা রক্তের।
তৈরি হোক লাল আগুনে ঝলসানো আমাদের খাদ্য
শিকলের দাগ ঢেকে দিয়ে গজিয়ে উঠুক
সিংহের কেশর প্রত্যেকের ঘাড়ে।"
"নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল
তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল।
গাভি কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান
কাষ্ঠ-দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্নদান।
স্বর্ণ করে নিজ রূপে অপরে শোভিত
বংশী করে নিজ সুরে অপরে মোহিত।
সুখ-সমৃদ্ধিতে ঐশ্বর্যময় এবং প্রাণৈশ্বর্যে ভরপুর এই সুন্দর দেশটি বর্গির আক্রমণ থেকে শুরু করে বারবার শত্রুর লোলুপদৃষ্টিতে পড়েছে। বিপর্যস্ত হয়েছে এ দেশের সহজ-সরল মানুষের জনজীবন, অর্থনৈতিক বুনিয়াদ এবং ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য। কিন্তু কোনো শত্রুর কাছে পরাভব মানেনি এ দেশের মানুষ। তাই তো যুগে যুগে আমরা দেখি নূরলদীন-তিতুমীর-হাজী শরীয়তউল্লাহ-সূর্যসেন-প্রীতিলতা-সালাম-রফিকের বিস্ময়কর শক্তি-সাহস এবং শৌর্যবীর্য। অতি সম্প্রতি ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবেও আমরা দেখি আবু সাঈদদের অদম্য সাহসিকতা ও বীরত্বগাঁথা।
বিদেশ ফেরত রফিক গ্রামের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে। এক পর্যায়ে সে চিন্তা করে গ্রামের মানুষকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করা দরকার। এই লক্ষ্যে গ্রামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে। কিন্তু কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরোধিতার কারণে স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগটি ভেস্তে যায়।
ধর্মব্যবসায়ীরা আধ্যাত্মিক শক্তির অধিকারী হিসেবে নিজেদেরকে জাহির করে এবং সাধারণ মানুষের উপর প্রভাব বিস্তার করে। ফলে সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গও তাদের অধীন হয়ে যায়। শোষণের সুবিধার্থে তারা ধর্মব্যবসায়ীদের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়।
তৎকালীন বেশিরভাগ জমিদার ছিল অত্যাচারী, প্রজাপীড়ক। এদের মধ্যে ব্যতিক্রম ছিলেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্র। তিনি ছিলেন প্রজাঅন্তঃপ্রাণ। কৃষ্ণচন্দ্র কোমল হৃদয়ের রাজা হলেও দেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে ছিলেন আপসহীন।
অঢেল সম্পত্তির মালিক রহমান সাহেব বিশ্বাস করে তার জমিজমা দেখাশুনার ভার দেন সেলিম মিয়াকে। রহমান সাহেব একদিন দেখেন তার সম্পত্তি সেলিম মিয়ার নামে হয়ে গেছে। এতদিন তিনি ভুল মানুষকে বিশ্বাস করেছেন। বিশ্বাস করা ভালো কিন্তু অন্ধবিশ্বাস কখনো কখনো মানুষকে পথে বসিয়ে দেয়।
আপনার স্বপ্নের ক্যারিয়ার ও ভালো রেজাল্টের পথে স্যাট একাডেমি আপনার সার্বক্ষণিক সঙ্গী। ৬০ লক্ষ শিক্ষার্থীর এই পরিবারে যুক্ত হয়ে আজই আপনার প্রস্তুতিকে করুন আধুনিক এবং স্মার্ট।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?