একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি বোর্ড পরীক্ষা সহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফল হওয়ার জন্য সঠিক প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলা প্রথম পত্র (আবশ্যিক) অধ্যয়ন করলে প্রশ্নের কাঠামো, প্রশ্নের ধরন এবং পরীক্ষার প্রবণতা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়। নিয়মিত মডেল টেস্ট এবং প্রশ্নব্যাংক ব্যবহার করে পরীক্ষার প্রস্তুতি আরও জোরদার করা যায়।
2024 সালের যশোর বোর্ড এর একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি বাংলা MCQ প্রশ্নব্যাংক এর মাধ্যমে আপনি পাবেন অধ্যায়ভিত্তিক সাজানো, ব্যাখ্যাসহ সঠিক সমাধান, যা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত কার্যকর। এই প্রশ্নব্যাংক থেকে আপনি পাবেন লাইভ টেস্ট, PDF ডাউনলোড সুবিধা এবং ভিডিও টিউটোরিয়ালসহ একটি সম্পূর্ণ প্রস্তুতি প্ল্যাটফর্ম।
বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক থেকে যা পাবেন:
এটি কেবল প্রশ্নের সমাধান নয়, বরং যশোর বোর্ড বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সম্পূর্ণ গাইডলাইন — যা 2024 সালের একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি বাংলা পরীক্ষায় আপনাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।
আপনি কি 2024 সালের যশোর বোর্ড এর একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি বাংলা MCQ প্রশ্নের নির্ভুল এবং আপডেটেড সমাধান খুঁজছেন? তাহলে আপনি একদম সঠিক জায়গায় এসেছেন! Satt Academy দিচ্ছে পুরোপুরি রিভিউকৃত, অধ্যায়ভিত্তিক সাজানো, এবং সর্বশেষ সিলেবাস অনুযায়ী MCQ প্রশ্নব্যাংক।
বাংলা প্রথম পত্র (আবশ্যিক) MCQ, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি শ্রেণি বাংলা প্রথম পত্র (আবশ্যিক) প্রশ্ন, যশোর বোর্ড বাংলা 2024, বাংলা MCQ যশোর বোর্ড 2024, Satt Academy বাংলা Question Bank, Chapter-wise বাংলা Questions, যশোর বোর্ড MCQ সমাধান, বাংলা MCQ PDF Download, বাংলা Live Test যশোর বোর্ড
মা-বোনের কথা শুনে সমর অকারণে সন্দেহ এবং পরে অত্যাচার শুরু করে 'লক্ষ্মীমন্ত সুন্দরী বউ শ্যামলীকে। তাকে গেঁয়ো, আনকালচার্ড, অপদার্থ ও অযোগ্য বউ হিসেবে প্রমাণ করার ব্যর্থ চেষ্টা করেছে বার বার। এমনকি সমরের খাবারে বিষ মিশিয়েছে শ্যামলী বলে রব তুলে সমরের বোন। শ্যামলীর কথা উপেক্ষা করে সেই খাবার না খেয়ে ডাক্তার এনে খাবার পরীক্ষা করায় সমর। এবার শ্যামলী কোনো প্রতিবাদ না করে ঘর ছাড়ে। সমর যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচে। কিন্তু অল্পদিনের মধ্যেই সমর একটা শূন্যতা অনুভব করতে থাকে। দুই মাস পর মা-বোনকে না জানিয়ে শ্যামলীকে ফিরিয়ে আনতে যায় সমর। সেখানে গিয়ে শুনতে পায় একমাস আগে শ্যামলী গার্মেন্টসে চাকরি নিয়ে ঢাকায় চলে গেছে। সমরও সেদিনই ঢাকায় চলে যায়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের দীর্ঘ পথচলায় বাঙালি জাতি বিভিন্ন আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে। এসব আন্দোলন ছিল কখনো সশস্ত্র, কখনো অসহযোগ-অনশন ভিত্তিক। পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের এসব আন্দোলন ঠেকিয়ে রাখতে তৎকালীন সরকার এদের নির্বিচারে জেলে বন্দি করে। জেলখানার মধ্যেও এদের আন্দোলন থামেনি বরং তা আরো দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়।
মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের সকল শিক্ষিত ব্যক্তি ও বুদ্ধিজীবী যে দেশের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন এমনটি নয়। এমন একজন বুদ্ধিজীবী শরিফ সাহেব। যুদ্ধের সময় তিনি কলেজ শিক্ষক ছিলেন তাঁর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় কলেজে সেনাক্যাম্প প্রতিষ্ঠিত হয়। পাকসেনাদের খুশি করতে তিনি উর্দুতে কথা বলতে শুরু করেন। এমন মানুষ বুদ্ধিজীবী হলেও আমাদের ঘৃণার পাত্র।
আব্দুল মালেক সারাটি জীবন শিক্ষকতা করেছেন, গড়েছেন আলোকিত মানুষ। অবসর গ্রহণের পর তিনি গড়ে তুলেছেন 'তরুণ সংঘ' নামের সেবা সংগঠন। বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজের পাশাপাশি পথ শিশুদের শিক্ষাদান, দুর্নীতি-বিরোধী অভিযান, নৈতিকতা ও তরুণদের মূল্যবোধ বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করেন তিনি। কেউ কেউ তাঁর কাজের প্রশংসা করলেও নিন্দা ও কটূক্তি করেন অনেকেই। তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন -
"মনরে আজ কহ যে
ভালো মন্দ যাহাই আসুক
সত্যরে লও সহজে।"
লক্ষ লক্ষ মানুষের আত্মত্যাগের ফসল স্বাধীন বাংলাদেশ। স্বাধীনতা অর্জন করতে গিয়ে নির্যাতিত হয়েছিল অনেক নারী-পুরুষ। দেশমাতৃকার জন্য যাঁরা অকাতরে জীবন বিসর্জন দিয়েছিলেন তাঁদের প্রত্যেকেরই রয়েছে এক একটি বিজয় গাথা। দেশের এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের বিজয় গাথার চেতনায়-ই যুগ যুগ ধরে বাংলাদেশের বিজয়কেতনকে অনন্ত অক্ষয় রাখবে।
হরিপুর বাজারে প্রকাশ্য দিবালোকে তিনজন সন্ত্রাসী আক্রমণ করে জসিম মাস্টারকে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে মোটর সাইকেলযোগে সন্ত্রাসীরা পালাচ্ছিল। এমন সময় ঘটনাস্থলে এসে পড়ে সাহসী তরুণ সোহরাব। সে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে এবং একজনকে ধরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের হাতে তুলে দেয়। ফিরে এসে দেখে মাস্টার মশায় তখনো মাটিতে লুটিয়ে। কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসছে না পুলিশি ঝামেলার ভয়ে। সোহরাব কোনো কিছু না ভেবেই মাস্টার মশায়কে নিয়ে যায় মেডিকেলে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?