নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া রবি হীনমন্যতায় ভোগে। আকারে ছোট হওয়ায় বন্ধুরা তাকে 'বাবু' বলে ডাকে। রবির বড় বোন নাহার ৭ মাসের গর্ভবতী। ডাক্তারের কাছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর জানতে পারলো, তার এমন একটি হরমোনের স্বল্পতা আছে, যা সন্তান প্রসবে বিঘ্ন ঘটায়। রবির অপর বোন সুমি গলগণ্ড রোগে ভুগছে

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

যে তন্ত্রের মাধ্যমে প্রাণী তার বাইরের পরিবেশের সাথে সমন্বয় সাধন এবং অঙ্গসংস্থানিক কার্যকলাপকে সুনিয়ন্ত্রিত করে সুসংবদ্ধ জীবনযাপনে সক্ষম হয় তাকে স্নায়ুতন্ত্র বলে।

উত্তরঃ

প্রতিবর্তী ক্রিয়া প্রাণীর ইচ্ছার দ্বারা নয়, বরং স্বতঃস্ফূর্তভাবে সংঘটিত হয়।
কোনো বাহ্যিক উদ্দীপক ইন্দ্রিয়কে উদ্দীপিত করলে প্রাণী তার প্রতি যে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়া করে তাকে প্রতিবর্তী ক্রিয়া বলে। এ ধরনের ক্রিয়া প্রাণীকে ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে এবং খুব দ্রুত সম্পন্ন হয়। যেমন- আগুনে হাত লাগলে দ্রুত সরিয়ে নিয়ে যাওয়া, তীব্র আলোতে চোখ বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রভৃতি। যেহেতু প্রাণীর ইচ্ছার ওপর এ ধরনের ক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ নেই, তাই একে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়াই বলা যায়।

উত্তরঃ

রবির শারীরিক বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে সোমাটোট্রপিক হরমোনের প্রভাব বিদ্যমান রয়েছে।
পিটুইটারি গ্রন্থির সম্মুখ অংশ থেকে যে ছয় ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয় তার মধ্যে দৈহিক গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সোমাটোট্রপিক হরমোন। এই হরমোন শরীরবর্ধক হরমোন নামেও পরিচিত। এই হরমোন যদি প্রয়োজনের অতিরিক্ত ক্ষরিত হয় তাহলে শরীরের অতিরিক্ত বৃদ্ধি ঘটে এবং মানুষ দৈত্যকৃতির হয়ে থাকে। এ ধরনের হরমোনের অতিরিক্ত ক্ষরণের ফলে একটি অল্প বয়স্ক কিশোরকেও ৬ থেকে ৮ ফুট লম্বা দেখায়। এদেরকে তখন পিটুইটারি দৈত্য বলে। আবার এ ধরনের হরমোনের ক্ষরণ কম হলে দেহ খর্বাকৃতির হয়। তখন ধরনের ব্যক্তিকে পিটুইটারি বামন বলা হয়ে থাকে। মূলত শারীরিক বৃদ্ধিকে নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সোমাটোট্রপিক হরমোনের ভূমিকাই মুখ্য।
উদ্দীপকের বর্ণনা হতে জানা যায়, রবি নবম শ্রেণিতে পড়ে। দৈহিক আকৃতি ছোট হওয়ায় তার বন্ধুরা তাকে 'বাবু' বলে ডাকে। এ কারণে সে সর্বদা হীনমন্যতায় ভোগে। রবির এই ধরনের শারীরিক বৃদ্ধি না হওয়ার জন্য শরীরবর্ধক হরমোনই দায়ী। কেননা, কেবলমাত্র এই হরমোনের ক্ষরণ কম হওয়ার কারণেই দৈহিক বৃদ্ধি বাধাপ্রাপ্ত হয়।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, প্রদত্ত উদ্দীপকে বর্ণিত রবির শারীরিক বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে সোমাটোট্রপিক বা শরীরবর্ধক হরমোনের প্রভাব বিদ্যমান রয়েছে।

উত্তরঃ

নাহার ও সুমির শারীরিক অবস্থার জন্য যথাক্রমে অক্সিটোসিন হরমোন ও থাইরকসিন রস বা হরমোন দায়ী যেগুলোর কার্যক্রমের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য বিদ্যমান রয়েছে।

অক্সিটোসিন হরমোন পিটইটারি গ্রন্থির পশ্চাৎ অংশ থেকে নিঃসৃত হয়। এই হরমোনের কমতি ঘটলে গর্ভবতীদের সন্তান প্রসবে বিঘ্ন ঘটে। এই হরমোন জরায়ুর সংকোচন ও প্রসারণ ঘটায়। পিটুইটারি গ্রন্থির পশ্চাৎ অংশ সম্মুখ অংশ অপেক্ষা কম সক্রিয়। পশ্চাৎ অংশ থেকে যে রস ক্ষরিত হয় তা অন্যান্য গ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে অন্ত্র, মূত্রাশয়, প্রভৃতিকে সক্রিয় করে তোলে; প্রসবকালে জরায়ুর পেশিকে প্রসারিত করে সন্তান প্রসবের ক্রিয়ায় সহায়তা করে, যৌনশক্তিকে প্রভাবিত করে এবং দেহের চলন ভংগিমাকে নিয়ন্ত্রণ করে। উদ্দীপকে গর্ভবতী নাহার ডাক্তারের কাছে গেলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানতে পারে তার এমন একটি হরমোনের অভাব রয়েছে যা সন্তান প্রসবে বিঘ্ন ঘটায়। তাই নাহারের শারীরিক অবস্থার জন্য অক্সিটোসিন হরমোন দায়ী তা খুব সহজেই অনুমেয়।

প্রদত্ত উদ্দীপকের শেষাংশের বর্ণনায় দেখা যায়, রবির বোন সুমি গলগণ্ড রোগে ভুগছে। সুমির মতো অনেক মানুষ আমাদের দেশে গলগণ্ড রোগে প্রতিবছর আক্রান্ত হয়ে থাকে। মূলত থাইরকসিন রস বা হরমোনের আধিক্য ঘটলে গলগণ্ড বা ঘ্যাগ রোগ দেখা দেয়। এ হরমোন দেহের গঠনে, হাড়ের গঠনে, ক্যালসিয়াম বিপাকে প্রধান ভূমিকা পালন করে। শৈশবে এই থাইরকসিন হরমোনের অভাবে অস্থি ও দাঁতের গঠন

ব্যাহত হয়। অনেক শিশু ক্লোটিনিজম নামক মারাত্মক রোগের কবলে পড়ে। আলস্য, ঝিমুনিভাব, যে কোনো কাজে অনীহা, দেহের প্রতিটি হাড়ের সংযোগ স্থলে ব্যথা, চক্ষু স্ফীতি, গলগণ্ড, অত্যধিক কৃশতা, পায়ের তলায় ঝিমঝিমভাব প্রভৃতি নানারকম উপসর্গ দেখা দিতে পারে। 
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, উদ্দীপকে নাহার ও সুমির শারীরিক অবস্থার জন্য দায়ী যথাক্রমে অক্সিটোসিন ও থাইরক্সিন হরমোন শারীরিক গঠন ও কার্যাবলির ক্ষেত্রে গভীর প্রভাব বিস্তার করে।

198
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো বাহ্যিক উদ্দীপনা ইন্দ্রিয়কে উদ্দীপিত করলে প্রাণী তার প্রতি স্বতঃস্ফূর্তভাবে যে প্রতিক্রিয়া করে তাকে প্রতিবর্তী ক্রিয়া বলে।

253
উত্তরঃ

পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের কারণে মানুষ লম্বা বা বেঁটে হয়।
পিটুইটারি গ্রন্থির সম্মুখভাগ থেকে শরীরবর্ধক হরমোন নামে এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হরমোন যদি প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত ক্ষরিত হয় তাহলে মানুষ দৈত্য আকৃতির হয়। এমনকি একটি অল্প বয়স্ক কিশোরকেও ৬ থেকে ৮ ফুট লম্বা বলে মনে হয়। আবার এ হরমোনের ক্ষরণ কম হলে দেহ খর্বাকৃতি হয়। এ ধরনের ব্যক্তিকে পিটুইটারি বামনও বলা হয়। তাই বলা যায়, হরমোনের প্রভাবের কারণেই মানুষ লম্বা বা বেঁটে হয়।

756
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রদত্ত চিত্র-১ এ স্নায়ুকোষ বা নিউরনের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে, যার গঠন প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
স্নায়ুকোষ বা নিউরন হলো স্নায়ুতন্ত্রের তথ্যের বাহক। সব স্নায়ুকোষের গঠন ও আকৃতি একই রকম নয়। কতকগুলোর দৈর্ঘ্য ও ঘনত্ব এতই ছোট যে দেখার জন্য শক্তিশালী অনুবীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজন হয়। আবার কতকগুলো স্নায়ুকোষ তিনফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। সাধারণ কোষের ন্যায় স্নায়ুকোষেরও তিনটি অংশ রয়েছে। যথা- কোষ দেহ, কোষ কেন্দ্র ও কোষ আবরণ। তবে সাধারণ কোষ থেকে স্নায়ুকোষের আরও দুটি অংশ বেশি রয়েছে তা হলো স্নায়ু কেশ ও স্নায়ু শাখা।
কোষ দেহ: সাইটোপ্লাজম নামক অপেক্ষাকৃত তরল পদার্থ নিয়ে গঠিত অংশের নাম হলো কোষ দেহ। সাইটোপ্লাজমের মধ্যে রয়েছে ক্রোমোফিল, গলজিবডি, মাইটোকন্ড্রিয়া, ভ্যাকুউল, লাইসোজম ইত্যাদি। কোষ কেন্দ্র: কোষের মধ্যে অবস্থিত অপেক্ষাকৃত ঘন গোলাকার ক্ষুদ্র পিন্ডকে বলা হয় কোষ কেন্দ্র। কোষ কেন্দ্রের মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পদার্থকে বলা হয় নিউক্লিউলাই। কোষ আবরণ: কোষদেহের বাহিক্য আবরণকে বলে কোষ প্রাচীর বা কোষ আবরণ। কোষের অন্যান্য অংশের তুলনায় অপেক্ষাকৃত শক্ত অংশ হলো কোষ আবরণ। এগুলো ছাড়াও প্রতিটি স্নায়ুকোষে এক বা একাধিক স্নায়ুকোষ থাকে। স্নায়ুকোষগুলো উদ্দীপনা গ্রহণ করে এবং কোষদেহে তা প্রেরণ করে। আবার প্রতিটি স্নায়ুকোষে রয়েছে স্নায়ুশাখা যা সাধারণত পেশি বা গ্রন্থি অথবা অন্য কোনো বার্তা গ্রহণকারী স্নায়ুকোষের সাথে সংযুক্ত থাকে। একে স্নায়ুকোষের প্রস্থান দ্বার বলা হয়ে থাকে।

306
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রদত্ত চিত্র-১ এবং চিত্র-২ এ চিত্রিত যথাক্রমে স্নায়ুকোষ

বা নিউরন এবং সন্নিকর্ষকে দেখানো হয়েছে যেগুলো শারীরবৃত্তীয় কাজে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে।
স্নায়ুকোষ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলি সম্পন্ন করে থাকে। সংবেদী বা অন্তর্মুখী স্নায়ুকোষ শরীরের বিভিন্ন ইন্দ্রিয় থেকে সংবেদন বা উদ্দীপনা বহন করে মস্তিষ্কে উৎপন্ন স্নায়ুপ্রবাহ বহন করে মাংসপেশি বা গ্রন্থিসমূহে নিয়ে যায়। স্নায়ুকোষের মধ্যে গতিবাহী স্নায়ুকোষ মাংসপেশির সাথে যুক্ত থেকে পেশির সংকোচন নিয়ন্ত্রণ করে। ক্ষরণশীল স্নায়ুকোষ গ্রন্থির সাথে সংযুক্ত থেকে গ্রন্থিকে রাসায়নিক পদার্থের ক্ষরণের জন্য উত্তেজিত করে এছাড়াও কার্যবর্ধক ও

অবদমনকারী স্নায়ুকোষ গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলি সম্পাদনের সাথে সংযুক্ত। আবার সংযোজক স্নায়ুকোষগুলো কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের ভেতর অবস্থান করে এবং অন্তর্মুখী স্নায়ুকোষের সাথে বহির্মুখী স্নায়ুকোষের সমন্বয় ও সংযোগ স্থাপন করে। স্নায়ুকর্ষ হলো একটি স্নায়ুকোষের সাথে আরেকটি স্নায়ুকোষের সংযোগস্থল। একটি স্নায়ুকোষ থেকে সংকেত বা স্নায়বিক উদ্দীপনা অন্য কোষে রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিবাহিত হয়, যা সন্নিকর্ষমূলক পরিবহন নামে পরিচিত। সন্নিকর্ষের একটি বৈশিষ্ট্য হলো এক স্নায়ুকোষ থেকে উদ্দীপনা অপর একটি স্নায়ুকোষে হয় সম্পূর্ণ পরিবাহিত হবে, না হয় একেবারেই হবে না। মাঝামাঝি সঞ্চালন হবার কোনো সম্ভাবনা নেই।

স্নায়ুকোষগুলো পরস্পরের সাথে সংযুক্ত না থাকার ফলে বড় সুবিধা হলো একটি স্নায়ুকোষ থেকে উদ্দীপনা একের বেশি স্নায়ুকোষে সঞ্চালিত হতে পারে। আবার ঠিক একইভাবে অনেক স্নায়ুকোষের উদ্দীপনা একইসাথে একত্রিত হয়ে একটি স্নায়ুকোষে সঞ্চালিত হতে পারে
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, চিত্র-১ ও ২ এ ইঙ্গিতকৃত স্নায়ুকোষ ও সন্নিকর্ষ শারীরবৃত্তীয় কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

260
উত্তরঃ

যে তন্ত্রের মাধ্যমে প্রাণী তার বাইরের পরিবেশের সাথে সমন্বয় সাধন এবং অঙ্গসংস্থানিক কার্যকলাপকে সুনিয়ন্ত্রিত করে সুসংবদ্ধ জীবনযাপনে সক্ষম হয় তাকে স্নায়ুতন্ত্র বলে।

314
উত্তরঃ

প্রতিবর্তী ক্রিয়া প্রাণীর ইচ্ছার দ্বারা নয়, বরং স্বতঃস্ফূর্তভাবে সংঘটিত হয়।
কোনো বাহ্যিক উদ্দীপক ইন্দ্রিয়কে উদ্দীপিত করলে প্রাণী তার প্রতি যে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়া করে তাকে প্রতিবর্তী ক্রিয়া বলে। এ ধরনের ক্রিয়া প্রাণীকে ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে এবং খুব দ্রুত সম্পন্ন হয়। যেমন- আগুনে হাত লাগলে দ্রুত সরিয়ে নিয়ে যাওয়া, তীব্র আলোতে চোখ বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রভৃতি। যেহেতু প্রাণীর ইচ্ছার ওপর এ ধরনের ক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ নেই, তাই একে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়াই বলা যায়।

600
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews