তরিকতপুরের মাজার ব্যবসায়ীরা নিজেদেরকে আল্লাহর প্রিয়পাত্র বলে পরিচয় দেয়। সর্বদা আল্লাহর নাম মুখে উচ্চারণ করে কখনো বা মরমী গান গেয়ে উঠে কিন্তু যথারীতি সালাত আদায়ের ব্যাপারে উদাসীন। তারা বলে সালাত হলো আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের মাধ্যম বা সিঁড়ি। সান্নিধ্য লাভ হয়ে গেলে আর সিঁড়ির প্রয়োজন থাকে না। আমরা আল্লাহর সাথে একাত্ম হয়ে গেছি তাই আমাদের আর সালাতের প্রয়োজন নেই। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

তাসাউফ শব্দের অর্থ হলো পরিচ্ছন্ন হওয়া, পবিত্র হওয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

তাসাউফের প্রধান উদ্দেশ্য হলো- আত্মা ও দেহের পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তায়ালার পরিচয় লাভ করা। শরিয়তের পূর্ণ জ্ঞানার্জনের জন্য তাসাউফের প্রয়োজন। শয়িরতের পূর্ণতা লাভ হয় ইমান, ইসলাম ও তাসাউফের সমন্বয়ে। ইসলামের পূর্ণতা এবং মানবজীবনের সাধনার উত্তম দৃষ্টান্ত হলো তাসাউফ। তাই তাসাউফকে কোনোভাবে উপেক্ষা, অবজ্ঞা বা অবহেলা করার সুযোগ নেই। এটি মানুষের সব দিক নিয়ন্ত্রণ করে। তাই ইমানকে সুদৃঢ় করে প্রতিনিধিত্ব করার গুণাবলি অর্জন করার মাধ্যমে মানুষের সফলতা, আত্মিক প্রশান্তি, ইহকালীন শান্তি এবং পরকালীন মুক্তিই তাসাউফের উদ্দেশ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত মাজার ব্যবসায়ীরা সালাত আদায়ের ব্যাপারে উদাসীন। ইসলামে সালাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। সালাত একটি ফরজ বা অবশ্যকরণীয় ইবাদত। ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে এটি অন্যতম। নামাজকে দ্বীনের খুঁটি বলা হয়েছে। খুঁটি ছাড়া যেমন ঘর হয় না, তদ্রুপ নামাজ ছাড়াও দ্বীন পরিপূর্ণ হয় না। নামাজই প্রমাণ করে দেয় কে অনুগত বান্দা আর কে অস্বীকারকারী কাফের। সুতরাং একজন মুমিন বান্দাকে তার ইমানের প্রমাণস্বরূপ অবশ্যই পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ আদায় করতে হবে। তাই ইসলামে ইমানের পরই নামাজ কায়েমের জন্য গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। কুরআনের বহু জায়গায় নামাজ কায়েমের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন-

وَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ وَآتُوا الزَّكَاةَ وَارْكَعُوا مَعَ الرَّاكِعِينَ 

অর্থ: 'তোমরা সালাত কয়েম করো ও জাকাত দাও এবং যারা রুকু করে তাদের সাথে রুকু করো' (সুরা বাকারা : ৪৩)।

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ৮২ বার সালাতের কথা উল্লেখ করেছেন। হাদিসে এসেছে, মানবদেহের মধ্যে মাথা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ইবাদতের মধ্যে সালাত গুরুত্বপূর্ণ। অপর এক হাদিসে এসেছে, মহানবি (স) কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কোন নেক আমল সর্বোত্তম। উত্তরে তিনি বলেন, সময়মতো সালাত আদায় করা হলো সর্বোত্তম নেক কাজ। সুতরাং ইসলামে সালাতের গুরুত্ব অপরিসীম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মাজার ব্যবসায়ীদের আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের ব্যাপারে সালাত আদায়ের বিরোধিতার স্বপক্ষের বক্তব্যটি ইসলামি শরিয়তের পরিপন্থি

সালাত হলো আল্লাহর সাথে সান্নিধ্য লাভের মাধ্যম। তাই সালাত আদায়ের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা সম্ভব। কেননা সালাতের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালাকে অত্যাধিক স্মরণ করার সুযোগ হয়। যে ব্যক্তি যত অধিক সালাত আদায় করে, সে তত আল্লাহকে স্মরণ করে। আর এভাবেই আল্লাহ ও বান্দার মধ্যে যোগসূত্র তৈরি হয়। সালাতের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে যিকরুল্লাহ। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন-

'অবশ্যই আমিই আল্লাহ! আমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তোমরা একমাত্র আমারই ইবাদত করো। আর সালাত কায়েম করো, আমার স্মরণের জন্যই' (সুরা ত্বহা : ১৪)।

আবার রাসুল (স) বলেন, 'সালাত মুমিনদের জন্য মিরাজস্বরূপ' (ইবনে মাজাহ)।' এর দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে, মুমিন ব্যক্তি একাগ্রতার সাথে নিয়মিত সালাত আদায় করলে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করে। উদ্দীপকে বর্ণিত তরিকতপুরের মাজার ব্যবসায়ীরা নিজেদেরকে আল্লাহর প্রিয়পাত্র বলে পরিচয় দেয়। তারা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের মাধ্যম হিসেবে সালাতকে অস্বীকার করে। তারা বলেন, 'আমরা আল্লাহর সাথে একাত্ম হয়ে গেছি তাই আমাদের আর সালাতের প্রয়োজন নেই। কিন্তু উপরিউক্ত বক্তব্যের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, সালাত আল্লাহর সাথে সান্নিধ্য লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। আর আল্লাহ তায়ালা নিজেই সালাত আদায়ের মাধ্যমে তাঁর সাথে সান্নিধ্য লাভের ঘোষণা দেন।

পরিশেষে বলা যায় যে, আল্লাহর সাথে সান্নিধ্য লাভের জন্য সালাতই হলো সর্বোত্তম মাধ্যম। তাই মাজার ব্যবসায়ীদের আল্লাহর সাথে সান্নিধ্য লাভের ব্যাপারে সালাত আদায়ের বিরোধীতার স্বপক্ষের বক্তব্যটি ইসলামের পরিপন্থি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
157
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

অর্থের সাথে সম্পর্ক থাকায় হজ সর্বজনীন ইবাদত নয়। হজ একটি দৈহিক, আত্মিক ও আর্থিক ইবাদত। নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষেই কেবল হজ কোনো ব্যক্তির ওপর ফরজ হয়। এক্ষেত্রে দৈহিক ও আর্থিক সামর্থ্য প্রধান দুটি শর্ত। কিন্তু এই পৃথিবীতে সবার একই সাথে দৈহিক ও আর্থিক সামর্থ্য না থাকাটাই স্বাভাবিক। তাই যাদের ক্ষেত্রে এ দুটি শর্ত পূরণ হয় কেবল তাদের জন্যই হজ ফরজ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
483
উত্তরঃ

জাউদ্দীপকে সালাতের আধ্যাত্মিক গুরুত্বের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। সালাত একটি আনুষ্ঠানিক ও দৈহিক ইবাদত। তবে সালাতের মূল আবেদন আত্মিক ইবাদত হিসেবে। সালাত মানুষের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে মানসিক প্রশান্তি সৃষ্টি করে। এটি সালাতের আধ্যাত্মিক গুরত্বেরই প্রতিফলন। উদ্দীপকেও রবিউল আলম সালাতের আধ্যাত্মিক গুরুত্বের ফলভোগী হয়েছেন।

রবিউল আলম কিছুদিন পূর্বেও ধর্ম-কর্মে মনোযোগী ছিলেন না। তার আত্মা ছিল কলুষিত। কিন্তু সালাত আদায় করার অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে তিনি তার আত্মাকে পরিশুদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে সালাতের মাধ্যমে মানবাত্মা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করে। কাঙ্ক্ষিত প্রিয় সত্তার সান্নিধ্য লাভ করায় আত্মার উৎকণ্ঠা ও অস্থিরতা দূর হয়ে যায়। তার মধ্যে প্রশান্তি বিরাজ করে। ফলে আত্মার সার্বিক অবস্থানে স্থিরতা ও তৃপ্তি নেমে আসে। উদ্দীপকের রবিউল আলমের ক্ষেত্রেও এমনটি হয়েছে। সালাত আদায়ের মাধ্যমে তার কলুষিত আত্মা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের মাধ্যমে প্রশান্তি লাভ করেছে। সুতরাং দেখা যায়, রবিউল আলমের আত্মিক উন্নয়নের মধ্য দিয়ে সালাতের আধ্যাত্মিক তাৎপর্যই প্রতিফলিত হয়েছে। 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
255
উত্তরঃ

রবিউল আলম আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার জন্য সালাত আদায়ের পাশাপাশি আল্লাহর জিকর, তাবলিগ, সৎ গুণাবলির অনুসরণ, তওবা ও মাগফিরাত কামনা করতে পারেন।

মানুষের চালিকাশক্তি ও জীবনীশক্তি হলো আত্মা। আত্মা সুস্থ থাকলে মানুষও সুস্থ থাকে। আর আত্মাকে পরিশুদ্ধ ও সুস্থ রাখার জন্য তাসাউফের অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই। উদ্দীপকের রবিউল আলমও তাসাউফের চর্চা সাধানার মাধ্যমে পরিপূর্ণ আত্মিক প্রশান্তি লাভ করতে পারেন।

রবিউল আলম নিয়মিত সালাত আদায় করেন। আত্মাকে সুস্থ রাখতে তিনি সালাত আদায়ের সাথে সাথে বেশি করে আল্লাহর জিকর করতে পারেন। আবার নিজে সৎ পথে চলার পাশাপাশি তিনি অন্যকেও সৎ কাজের জন্য উৎসাহিত করতে পারেন। এর ফলে তার আত্মা সুস্থ ও পবিত্র থাকবে। তাছাড়া তিনি রাসুলুল্লাহ (স) ও তার সাহাবি (রা) গণের জীবনের সৎগুণাবলির অনুসরণের মাধ্যমেও আত্মাকে পরিশুদ্ধ করতে পারেন। তবে তিনি যেহেতু পূর্বে অনেক অন্যায় করেছেন, সেহেতু সব সময় আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারেন। তওবার মাধ্যমে ভবিষ্যতে অন্যায় না করার দৃঢ় প্রত্যয় জ্ঞাপন করলে তার আত্মা আরও প্রশান্তি লাভ করবে।

এভাবে ওপরের কাজগুলোর মাধ্যমে তিনি আত্মিকভাবে লাভবান হতে পারেন। পরিশেষে বলা যায়, উল্লিখিত বিষয়গুলো তাসাউফ চর্চারই নামান্তর। তাই তাসাউফ চর্চা ও সাধনার মাধ্যমেই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে আত্মিক প্রশান্তি লাভ করা সম্ভব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
246
উত্তরঃ

হযরত উমর (রা) এর মৃত্যুর পর তার কন্যা হযরত হাফসা (রা)-এর কাছে আল কুরআন সংরক্ষিত ছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
437
উত্তরঃ

পরকালীন জীবনের মতো পার্থিব জীবনের ওপরও আল কুরআন গুরুত্বারোপ করেছে। মহানবি (স) বলেছেন, 'দুনিয়া আখিরাতের শস্যক্ষেত্র'। অর্থাৎ পার্থিব জীবনের কর্মকাণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই পরকালীন সাফল্য বা ব্যর্থতা নির্ধারিত হবে। তাই কুরআন মানুষকে পার্থিব সাফল্য ও কল্যাণ লাভের নির্দেশ প্রদান করেছে। সুরা বাকারার ২০১নং আয়াতে বলা হয়েছে- হে আমাদের প্রভু। আমাদেরকে পৃথিবীতে কল্যাণ দিন। আখিরাতে কল্যাণ দিন।'

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
286
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews