উদ্ভিদের সকল কাজ নিয়ন্ত্রণকারী জৈব রাসায়নিক পদার্থকে ফাইটোহরমোন বা বৃদ্ধিকারক বস্তু বলে।
আমরা জানি, কালো রঙের বস্তু বা পর্দা সকল আলো শোষণ করে নেয় বলে এর উপর আপতিত আলো প্রতিফলিত হয় না। মানুষের। চোখে কালো রঙের ঝিল্লি দ্বারা গঠিত একটি আচ্ছাদন থাকে যাকে কোরয়েড বা কৃষ্ণমন্ডল বলে। কৃষ্ণমন্ডলের এ কালো রঙের জন্যই চোখের ভিতরে প্রবিষ্ট আলোর প্রতিফলন হয় না।
আলোর প্রতিসরণের ফলে রুমার পর্যবেক্ষণকৃত পেনসিলটি ছোট মোটা ও বাঁকা দেখায়।
ব্যাখ্যা: পেনসিলটির যে অংশ পানিতে নিমজ্জিত হয়। সেই অংশের কোনো বিন্দু থেকে আলোকরশ্মি পানি থেকে বায়ু অর্থাৎ ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করে আমাদের চোখে পৌঁছায়। সুতরাং প্রতিসরণের নিয়ম অনুযায়ী মাধ্যম দুটির

বিভেদ তল AB তে আলোকরশ্মি প্রতিসরিত হয়ে অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়। ফলে এরূপ পানিতে নিমজ্জিত অংশের যেকোনো অংশই খানিকটা উপরে উঠে আছে বলে মনে হয়। ফলে পেনসিলটি বায়ু ও পানির বিভেদতলে বাঁকা দেখায় এবং পানিতে নিমজ্জিত অংশ কিছুটা মোটা দেখায়।
রুমার শেষের আচরণের সাথে স্নায়ুবিক প্রক্রিয়া জড়িত। এর সপক্ষে নিচে যুক্তি দেওয়া হলো-
রুমার হাত হারিকেনের গরম চিমনির উপর পড়ামাত্র বেশকিছু অনুভূতিবাহী স্নায়ু উদ্দীপনা গ্রহণ করে। এ উদ্দীপনা অনেকগুলো পরপর সংযুক্ত স্নায়ুকোষের মাধ্যমে অনেকগুলো আজ্ঞাবাহী কোষে প্রবাহিত হয়। এসব আজ্ঞাবাহী স্নায়ু পেশিতে উদ্দীপনা বহন করে হাত সরিয়ে আনে। অনুভূতি মস্তিষ্কে পৌঁছায়। ফলে কী ঘটেছে শরীর তা জানতে পারে। অর্থাৎ স্নায়ুবিক কার্যক্রমের কারণেই রুমার হাত চিমনি থেকে সরিয়ে ফেলে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!