কনগরায়ন বিকাশের ধারাক্রম হচ্ছে সংগ্রহ ও শিকার, কৃষি এবং নগরায়ন।
অতীতে মানুষ যখন খাদ্য সংগ্রহ ও শিকারের উপর নির্ভর করত তখন মানুষ যাযাবরের মতো ছিল। কিন্তু যখন খাদ্য সরবরাহ তার নিয়ন্ত্রণে এলো তখন সে স্থিতিশীল জনগোষ্ঠীতে পরিণত হতে আরম্ভ করল। এছাড়াও প্রতিরক্ষার কারণে মানুষ একত্রে থাকতে শুরু করল।
এভাবে স্থায়ী বসতি গড়ে উঠেছে।
উদ্দীপকে কামাল একজন পাটচাষী। সরাসরি ভূমির সাথে যুক্ত কৃষিকাজ হলো প্রাথমিক পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড। সে দিক থেকে কামালের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড প্রাথমিক পর্যায়ের উৎপাদন কেন্দ্রের সাথে যুক্ত।
জহির সেই উৎপাদিত পাট তার শিল্প কারখানায় প্রক্রিয়াজাত করে পাটজাত দ্রব্য তৈরী করে। শিল্প কারখানাগুলো যেখানে প্রাথমিক পণ্যের উপযোগীতা বৃদ্ধি করা হয় তাকে ২য় পর্যায়ের উৎপাদন কেন্দ্র বলে। এ কারণে জহিরের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ২য় পর্যায়ের উৎপাদন কেন্দ্রের সাথে জড়িত।
অপরদিকে মিশু ও মোহনা সরাসরি কোনো উৎপাদন কাজের সাথে জড়িত না। তারা উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি করে যা ৩য় পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড।
মিশু ও মোহনার ব্যবসা কমে যাচ্ছে পাটচাষ কমে যাওয়ার কারণে।
উদ্দীপকে পাটচাষ কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে গ্রামগুলোর নগরে পরিণত হওয়া। বিশেষজ্ঞগণ মনে করেন অদূর ভবিষ্যতে গ্রামের পরিমাণ একেবারেই কমে যাবে এবং নগরায়ন বৃদ্ধি পাবে। এই
নগরায়ন দুইটি প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কযুক্ত
১. গ্রামীণ এলাকা থেকে পৌর এলাকায় মানুষের আগমন এবং এর ফলে গ্রামীণ এলাকা অপেক্ষা পৌর এলাকায় বসবাসকারী জনসংখ্যার অনুপাত বৃদ্ধি পাওয়া।
২. নগরের সাথে জড়িত সংস্কৃতির কতিপয় ধরনসহ গ্রামীণ এলাকায় পৌর প্রভাবের বিস্তার এবং এই প্রভাব বিস্তার করার ফলে অতিমাত্রায় নগরায়িত সমাজে গ্রামীণ ও পৌর জনসংখ্যার মধ্যে সাংস্কৃতিক পার্থক্য হ্রাস পায়।
নগরায়নের দ্রুত বিকাশের ফলে গ্রাম কমে যাচ্ছে। পাশাপাশি আমাদের আবাদি জমির পরিমাণও কমে যাচ্ছে। ফলে পাট চাষ কমে যাচ্ছে। এতে মিশু ও মোহনার রপ্তানিজাত পণ্যের পরিমাণও কমে যাচ্ছে।
Related Question
View Allমুসলিম সভ্যতায় (অষ্টম শতাব্দী থেকে) নগরায়ণের প্রসার ঘটে।
মাটির উর্বরাশক্তির ওপর নির্ভর করে বসতি স্থাপন করা হয়।
উর্বর মাটিতে পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে ওঠে। মানুষ কৃষিজমির পাশে বসতি গড়ে তোলে যাতে করে সহজে ও কম খরচে ফসল ফলাতে পারে এবং খাদ্যের চাহিদা মেটাতে পারে। যেমন- যমুনা নদীর তীরবর্তী অঞ্চল। কিন্তু মাটি অনুর্বর বা অসমতল হলে বিক্ষিপ্ত জনবসতি গড়ে ওঠে। যেমন- চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!