লিনাদের গ্রামে গোষ্ঠীবন্ধ বা সংঘবদ্য বসতি; সুমিতদের গ্রামে বিক্ষিপ্ত ও বিচ্ছ্যিা বসতি এবং নিলয়দের গ্রামে রৈখিক বা দণ্ডাকৃতির বসতি পরিলক্ষিত হয়। নিম্নে এ বসতিগুলোর ধরন, ছকাকারে তুলে ধরা হলো
গোষ্ঠীবন্ধ বা সংঘবদ্ধ বসতি | বিক্ষিপ্ত ও বিচ্ছিন্ন বসতি | রৈখিক বা দণ্ডাকৃতির বসতি |
১. কোনো এক স্থানে বেশ কয়েকটি পরিবার অনেকগুলো বাসগৃহে একত্রিত হয়ে বসবাস করে। | একটি পরিবার থেকে অন্য পরিবার অনেক দূরে অবস্থান করে। | এই ধরনের বসতির বাড়িগুলো একই সরলরেখায় থাকে। |
২ | একটি ক্ষুদ্র বসতি অপর ক্ষুদ্র বসতি থেকে দূরে অবস্থান করে। | নদীর প্রাকৃতিক বাঁধ, পুরাতন নদীর কিনারা, রাস্তার কিনারা প্রভৃতি স্থানে এই ধরনের বসতি গড়ে ওঠে। |
সামাজিক বন্ধন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ফলে বাসগৃহগুলোর পরস্পরের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। | অধিবাসীদের মধ্যে সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা লক্ষ করা যায়। | এই ধরনের বসতিগুলো সোজা হয়। |
Related Question
View Allমুসলিম সভ্যতায় (অষ্টম শতাব্দী থেকে) নগরায়ণের প্রসার ঘটে।
মাটির উর্বরাশক্তির ওপর নির্ভর করে বসতি স্থাপন করা হয়।
উর্বর মাটিতে পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে ওঠে। মানুষ কৃষিজমির পাশে বসতি গড়ে তোলে যাতে করে সহজে ও কম খরচে ফসল ফলাতে পারে এবং খাদ্যের চাহিদা মেটাতে পারে। যেমন- যমুনা নদীর তীরবর্তী অঞ্চল। কিন্তু মাটি অনুর্বর বা অসমতল হলে বিক্ষিপ্ত জনবসতি গড়ে ওঠে। যেমন- চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!