What is the name given to the sequence of steps which a computer follows :
-
ক
Instructions
-
খ
Algorithms
-
গ
Flowcharts
-
ঘ
Applicalion Software
The CPU is the heart of the computer. A program is a sequence of instructions stored in main memory.
When a program is run, the CPU fetches the instructions and executes or follows the instructions.
অ্যালগোরিদম (Algorithm) হলো একটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া বা ধাপের ধারাবাহিকতা, যা একটি নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য বা কোনো কাজ সম্পাদনের জন্য অনুসরণ করা হয়। এটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এবং গণিতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, কারণ এটি কম্পিউটারকে বিভিন্ন কাজ সম্পাদনের জন্য সুনির্দিষ্ট নির্দেশাবলী প্রদান করে। একটি অ্যালগোরিদম একটি নির্দিষ্ট ইনপুট নিয়ে কাজ শুরু করে এবং একটি নির্দিষ্ট আউটপুট প্রদান করে।
অ্যালগোরিদমের বৈশিষ্ট্য:
১. সুস্পষ্টতা (Definiteness):
- প্রতিটি ধাপ সুনির্দিষ্ট এবং পরিষ্কারভাবে উল্লেখিত থাকে। প্রতিটি ধাপের কার্যপ্রণালী এবং ইনপুট কী হবে, তা অবশ্যই সুস্পষ্ট হতে হবে।
২. সীমাবদ্ধতা (Finiteness):
- একটি অ্যালগোরিদম অবশ্যই সীমিত সংখ্যক ধাপে শেষ হতে হবে। অ্যালগোরিদমটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ হবে এবং একটি ফলাফল প্রদান করবে।
৩. ইনপুট (Input):
- একটি অ্যালগোরিদম সাধারণত এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে। এই ইনপুটগুলি সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে।
৪. আউটপুট (Output):
- অ্যালগোরিদমের শেষে একটি বা একাধিক আউটপুট থাকে, যা সমস্যা সমাধানের ফলাফল বা উত্তর প্রকাশ করে।
৫. কার্যকারিতা (Effectiveness):
- প্রতিটি ধাপ কার্যকর এবং সহজে সম্পাদনযোগ্য হতে হবে। অ্যালগোরিদমের প্রতিটি ধাপ এমনভাবে ডিজাইন করা হয় যাতে এটি সহজে এবং কার্যকরভাবে সম্পাদন করা যায়।
অ্যালগোরিদমের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দুটি সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করার অ্যালগোরিদম:
১. প্রথম ধাপে দুটি সংখ্যা নিন: A এবং B।
২. A এবং B-এর যোগফল SUM হিসেবে নির্ধারণ করুন।
৩. SUM আউটপুট হিসেবে প্রদর্শন করুন।
ছোট্ট অ্যালগোরিদম:
1. শুরু করুন
2. দুটি সংখ্যা `A` এবং `B` নিন
3. `SUM = A + B` নির্ধারণ করুন
4. `SUM` প্রিন্ট করুন
5. শেষ
উদাহরণ ২: একটি সংখ্যার ফ্যাক্টরিয়াল নির্ণয় করার অ্যালগোরিদম:
১. একটি সংখ্যা N ইনপুট হিসেবে নিন।
২. যদি N শূন্য হয়, তাহলে আউটপুট হবে 1।
৩. অন্যথায়, FACT = 1 সেট করুন এবং i কে 1 থেকে N পর্যন্ত বৃদ্ধি করুন।
৪. প্রতিবার FACT = FACT * i হিসাব করুন।
৫. ফ্যাক্টরিয়াল (FACT) প্রিন্ট করুন।
ছোট্ট অ্যালগোরিদম:
1. শুরু করুন
2. একটি সংখ্যা `N` নিন
3. যদি `N` == 0, তাহলে `FACT = 1` এবং আউটপুট করুন
4. অন্যথায়, `FACT = 1` এবং `i = 1` থেকে `N` পর্যন্ত পুনরাবৃত্তি করুন
5. প্রতিবার `FACT = FACT * i` হিসাব করুন
6. `FACT` প্রিন্ট করুন 7. শেষ
অ্যালগোরিদম ডিজাইন করার ধাপসমূহ:
১. সমস্যা বিশ্লেষণ:
- প্রথমে সমস্যার সঠিক ব্যাখ্যা এবং বিশ্লেষণ করা হয়। এটি নিশ্চিত করে যে সমস্যাটি সঠিকভাবে বোঝা গেছে এবং এর সমাধানের উপায় নির্ধারণ করা যায়।
২. ইনপুট এবং আউটপুট নির্ধারণ:
- অ্যালগোরিদমের জন্য কোন ইনপুট প্রয়োজন এবং আউটপুট কী হবে তা নির্ধারণ করা হয়।
৩. ধাপ নির্ধারণ:
- সমস্যার সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ধাপগুলি ধারাবাহিকভাবে উল্লেখ করা হয়।
৪. অ্যালগোরিদম পরীক্ষা করা:
- অ্যালগোরিদম কাজ করছে কিনা তা যাচাই করার জন্য এটি বিভিন্ন ইনপুট দিয়ে পরীক্ষা করা হয়।
৫. অপ্টিমাইজেশন:
- অ্যালগোরিদমের কার্যকারিতা উন্নয়নের জন্য এটি অপ্টিমাইজ করা হয়। কম সময় বা কম মেমোরি ব্যবহার করে কাজ সম্পাদন করা সম্ভব হলে তা করা হয়।
অ্যালগোরিদমের প্রকারভেদ:
১. সরল লিনিয়ার অ্যালগোরিদম (Simple Linear Algorithm):
- এই ধরনের অ্যালগোরিদম সরাসরি এবং ক্রমানুসারে কাজ সম্পাদন করে।
- উদাহরণ: একটি সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করা।
২. পুনরাবৃত্তিমূলক অ্যালগোরিদম (Recursive Algorithm):
- এই ধরনের অ্যালগোরিদম নিজেই নিজেকে পুনরাবৃত্তি করে কাজ সম্পাদন করে। এটি সাধারণত ফ্যাক্টরিয়াল বা ফিবোনাচি সিরিজের মতো সমস্যায় ব্যবহৃত হয়।
৩. ডিভাইড-এন্ড-কনকর অ্যালগোরিদম (Divide and Conquer Algorithm):
- এই অ্যালগোরিদম একটি বড় সমস্যাকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে এবং প্রতিটি অংশের সমাধান করে। উদাহরণ: মার্জ সর্ট (Merge Sort) এবং কুইক সর্ট (Quick Sort)।
৪. ডায়নামিক প্রোগ্রামিং অ্যালগোরিদম (Dynamic Programming Algorithm):
- এই অ্যালগোরিদম পূর্ববর্তী সমাধানগুলোর তথ্য ব্যবহার করে পুনরায় কাজ সম্পাদন করে। এটি কম্পিউটেশনাল জটিলতা হ্রাস করে এবং কার্যকারিতা বাড়ায়।
অ্যালগোরিদমের গুরুত্ব:
- সমস্যা সমাধানে সহায়ক: অ্যালগোরিদম একটি নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান প্রদান করে, যা প্রোগ্রামার এবং গণিতবিদদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর।
- সফটওয়্যার উন্নয়নে সহায়ক: সফটওয়্যার উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট এবং কার্যকর অ্যালগোরিদম তৈরি করা জরুরি, কারণ এটি সফটওয়্যারের গতি এবং কার্যক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।
- সংগঠিত সমাধান: অ্যালগোরিদম কাজকে সুনির্দিষ্ট ধাপে বিভক্ত করে, যা একটি সমস্যার সংগঠিত এবং নির্ভুল সমাধান প্রদান করে।
সারসংক্ষেপ:
অ্যালগোরিদম হলো সমস্যার সমাধানের জন্য একটি সংগঠিত প্রক্রিয়া, যা ধাপে ধাপে কাজ করে এবং নির্দিষ্ট ইনপুট নিয়ে আউটপুট প্রদান করে। এটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, গণিত, এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি অ্যালগোরিদম কার্যকর এবং সঠিক হলে প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যারের কর্মক্ষমতা এবং নির্ভুলতা বাড়াতে সহায়ক হয়।
Related Question
View All-
ক
Bubble sort
-
খ
Selectedtion Sort
-
গ
Quick sort
-
ঘ
Insertion sort
-
ক
ARP
-
খ
OSPF
-
গ
RIP
-
ঘ
IGRP
-
ক
Collect data
-
খ
Training data
-
গ
Algorithm
-
ঘ
Model
-
ক
Brute Force
-
খ
Divide and Conquer
-
গ
Dynamic programming algorithms
-
ঘ
All of the above
-
ক
not to page
-
খ
a tow level paging algorithm
-
গ
the page table itself
-
ঘ
all of the above
-
ক
O (n)
-
খ
O (log n)
-
গ
O (<math xmlns="http://www.w3.org/1998/Math/MathML"><msup><mi>n</mi><mn>2</mn></msup><mo>)</mo></math>
-
ঘ
O ( n log n )
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!