'তাল ও মাতাল' কোন সমাস?
'তাল ও মাতাল' কোন সমাস?
-
ক
দ্বিগু
-
খ
কর্মধারয়
-
গ
দ্বন্দ্ব
-
ঘ
তৎপুরুষ
যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমনঃ তাল ও তমাল = তাল-তমাল, দোয়াত ও কলম = দোয়াত-কলম।
সঠিক উত্তরটি হলো: দ্বন্দ্ব
তাল ও মাতাল শব্দটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ।
দ্বন্দ্ব সমাস
যে সমাসে সমস্যমান প্রতিটি পদের অর্থেরই প্রাধান্য থাকে এবং সাধারণত তাদের মাঝখানে ও, এবং, আর ইত্যাদি অব্যয় পদ দিয়ে যুক্ত করা যায়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
ব্যাসবাক্য: তাল ও মাতাল
সমস্যমান পদদ্বয়: 'তাল' এবং 'মাতাল' (উভয় পদের অর্থই এখানে প্রধান)।
অন্যান্য সমাসসমূহ
দ্বিগু সমাস: এই সমাসে পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক হয় এবং সমস্তপদ দ্বারা সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় (যেমন: ত্রিভুবন, পঞ্চনদ)।
কর্মধারয় সমাস: এই সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় (যেমন: নীলপদ্ম, মহানবী)।
তৎপুরুষ সমাস: এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় (যেমন: গাছপাকা, রথ দেখা)।
সমাস মানে সংক্ষেপ, মিলন, একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থসম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের এক সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। যেমন : দেশের সেবা = দেশসেবা, বই ও পুস্তক = বইপুস্তক, নেই পরোয়া যার বেপরোয়া। বাক্যে শব্দের ব্যবহার সংক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে সমাসের = সৃষ্টি। সমাস দ্বারা দুই বা ততোধিক শব্দের সমন্বয়ে নতুন অর্থবোধক পদ সৃষ্টি হয়। এটি শব্দ তৈরি ও প্রয়োগের একটি বিশেষ রীতি। সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে। তবে খাঁটি বাংলা সমাসের দৃষ্টান্তও প্রচুর পাওয়া যায়। সেগুলোতে সংস্কৃতের নিয়ম খাটে না।
সমাসের প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্ত পদ।
সমস্ত পদ বা সমাসবদ্ধ পদটির অন্তর্গত পদগুলোকে সমস্যমান পদ বলে। সমাসযুক্ত পদের প্রথম অংশ (শব্দ)-কে বলা হয় পূর্বপদ এবং পরবর্তী অংশ (শব্দ)-কে বলা হয় উত্তরপদ বা পরপদ ।
সমস্ত পদকে ভেঙে যে বাক্যাংশ করা হয়, তার নাম সমাসবাক্য, ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য। উদাহরণ-বিলাত – ফেরত রাজকুমার সিংহাসনে বসলেন। এখানে বিলাত-ফেরত, রাজকুমার ও সিংহাসন এ তিনটিই - সমাসবদ্ধ পদ। এগুলোর গঠন প্রক্রিয়া ও রকম বিলাত হতে ফেরত, রাজার কুমার,সিংহ চিহ্নিত আসন এগুলো হচ্ছে ব্যাসবাক্য। এসব ব্যাসবাক্যে 'বিলাত’, ফেরত’, ‘রাজা, ‘কুমার,’ ‘সিংহ’, ‘আসন' হচ্ছে এক একটি সমস্যমান পদ। আর বিলাত-ফেরত, রাজকুমার এবং সিংহাসন সমস্ত পদ। বিলাত, রাজা ও সিংহ হচ্ছে পূর্বপদ এবং ফেরত, কুমার ও আসন হচ্ছে পরপদ। -
সমাস প্রধানত ছয় প্রকার : দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব সমাস ।
[ দ্বিগু সমাসকে অনেক ব্যাকরণবিদ কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আবার কেউ কেউ কর্মধারয়কেও তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করেছেন। এদিক থেকে সমাস মূলত চারটি : দ্বন্দ্ব, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, অব্যয়ীভাব। কিন্তু সাধারণভাবে ছয়টি সমাসেরই আলোচনা করা গেল। এছাড়া, প্রাদি, নিত্য, অলুক ইত্যাদি কয়েকটি অপ্রধান সমাস রয়েছে। সংক্ষেপে সেগুলোরও আলোচনা করা হয়েছে। ]
Related Question
View Allস্থিরপ্রতিজ্ঞ এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
-
ক
স্থির প্রতিজ্ঞা
-
খ
স্থির প্রতিজ্ঞা করা
-
গ
স্থির প্রতিজ্ঞা যার
-
ঘ
একটিও নয়
আমূল শব্দের ব্যাসবাক্য কোনটি?
-
ক
নয় মূল
-
খ
মূল থেকে
-
গ
মূল পর্যন্ত
-
ঘ
ন মূল
'মন্বন্তর' কোন সমাসের উদাহরণ?
-
ক
রূপক কর্মধারয়
-
খ
বহুব্রীহি
-
গ
উপমিত কর্মধারয়
-
ঘ
তৎপুরুষ
রূপক কর্মধারয়ের উদাহরণ কোনটি?
-
ক
কুসুম কোমল
-
খ
রাজর্ষি
-
গ
সুখসাগর
-
ঘ
বিড়াল তপস্বী
কোনটি কর্মধারয় সমাস নয়?
-
ক
বেগুন ভাজা
-
খ
মৃদুমন্দ
-
গ
লালফুল
-
ঘ
গুণমুগ্ধ
'সপ্তাহ' কোন সমাস?
-
ক
দ্বিগু
-
খ
কর্মধারয়
-
গ
অব্যয়ীভাব
-
ঘ
কোনোটিই নয়
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!