কোষ ও এর গঠন (প্রথম অধ্যায়)

উদ্ভিদবিজ্ঞানের জনক  থ্রিয়োফ্রাস্টাস।

উদ্ভিদের কান্ডের প্রকৃতি, বিস্তৃতি ও কাষ্ঠলতার উপর নির্ভর করে থ্রিয়োফ্রাস্টাস উদ্ভিদজগতকে চারটি শ্রেণিতে বিভক্ত করেন। যথা-১। হার্ব (herb, বীরু), ২। আন্ডার শ্রাব (under-shrub, উপগুল্ম), ৩। শ্ৰাৰ (shrub, গুল্ম) ও ৪। ট্রি (tree, বৃক্ষ)।

১। হার্ব (Herb) বা বীরুৎ (নরম কান্ডবিশিষ্ট ছোট উদ্ভিদকে হার্ব বা বীরুৎ বলে। যেমন— সরিষা (Brassica napus), ধান (Oryza sativa), গম (Triticum aestivum) ইত্যাদি। (কাষ্ঠল কান্ডবিশিষ্ট হার্বকে উডি হার্ব (woody herb) বলা হয় ) যেমন—তোষাপাট (Corchorus olitorius)

আয়ুষ্কাল অনুসারে তিনি হার্বকে আবার তিনভাগে বিভক্ত করেন; যথা- সরিষা, ধান, গম,

এক অ্যানুয়াল (Annual) বা বর্ষজীবী বীরুৎ : এসব বীরুৎ মাত্র এক ঋতু অথবা এক বছরকাল জীবিত থাকে। যেমন-সরিষা (Brassica napus), গম (Triticum aestivum), ছোলা (Cicer arietinum) ইত্যাদি উদ্ভিদ।

বাইয়েনিয়্যাল (Biennial) বা দ্বিবর্ষজীবী বীরুৎ : এসব বীরুৎ সাধারণত দু'বছরকাল জীবিত থাকে।  যেমন-বাঁধাকপি (Brassica oleracea var. capitata), মূলা (Raphanus sativus) প্রভৃতি উদ্ভিদ। শীতপ্রধান দেশে এসব উদ্ভিদের দ্বিবর্ষজীবীত্ব সুস্পষ্ট। প্রথম বছরে দৈহিকবৃদ্ধি ঘটে এবং দ্বিতীয় বছরে ফুল, ফল ধারণ করে স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করে। 

পেরেনিয়্যাল (Perennial) বা বহুবর্ষজীবী বীরুৎ : এসব বীরুৎ দু'বছরের অধিক বেঁচে থাকে।যেমন- আদা (Zingiber officinale ), হলুদ (Curcuma domestica)। এদের ভূ-নিম্নস্থ কান্ড থেকে প্রতি বছর বায়বীয় কান্ড বের হয়। দুর্বাঘাস (Cynodon dactylon) একটি বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ।

২। আন্ডারশ্রাব (Undershrub) বা উপগুল্ম : শ্রাব বা গুলোর চেয়ে ছোট আকারের কাষ্ঠল উদ্ভিদকে আন্ডারশ্রাব বলে, যেমন কল্কাসুন্দা (Cassia sophera), আঁশ শেওড়া (Glycosmis arborea), বেলী (Jesminum sambac), গোলাপ (Rosa hybrida) ইত্যাদি।

৩। শ্রাব (Shrub) বা গুল্ম : যে সকল উদ্ভিদ কাষ্ঠল, বহুবর্ষজীবী, সাধারণত একক কান্ডবিহীন ও গোড়া থেকে বেশি শাখা-প্রশাখা বিস্তার করে ঝোপে পরিণত হয় তাকে শ্রাব বা গুল্ম বলে। যেমন-কাগজীলেবু (Citrus aurantifolia), জবা (Hibiscus rosa-sinensis), গন্ধরাজ (Gardenia jasminoides) ইত্যাদি।

৪। ট্রি (Tree) বা বৃক্ষ : (সুস্পষ্ট একক কাণ্ডবিশিষ্ট উঁচু কাষ্ঠল উদ্ভিদকে ট্রি বা বৃক্ষ বলে। যেমন- আম (Mangifera indica), কাঁঠাল (Artocarpus heterophyllus), জাম (Syzygium cumini), সেগুন (Tectona grandis) ইত্যাদি। 

কোষঃ কোষ হলো সকল জীবদেহের গঠন, বিপাকীয় ক্রিয়াকলাপ ও বংশগতিমূলক তথ্য বহনকারী একক।সবচেয়ে বড় কোষ হল উটপাখির ডিমের কোষ। দীর্ঘতম কোষ হল স্নায়ু কোষ।

Content added || updated By

Related Question

View More

6CO2 + 12H2O ➡️ C6H12O6 + 6H2O 6O2

[সূর্যালোক ও ক্লোরোফিলের উপস্থিতিতে]

~ উদ্ভিদের খাদ্য প্রস্তুত ও প্রাণীকুলের খাদ্য সরবরাহ করা

~ পরিবেশে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড এর ভারসাম্য রক্ষা করা

একবীজপত্রী উদ্ভিদের মূলের অন্তর্গঠনগত সনাক্তকারী ছয়টি বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ-

  1. ত্বকে কিউটিকল অনুপস্থিত, এতে এককোষী রোম আছে
  2. অধঃত্বক অনুপস্থিত
  3. কর্টেক্স বিভিন্ন স্তরে বিন্যস্ত নয়
  4. পরিচক্র একসারি কোষ দিয়ে গঠিত
  5. ভাস্কুলার বান্ডল অরীয় এবং একান্তরভাবে সজ্জিত
  6. মেটাজাইলেম কেন্দ্রের দিকে এবং প্রোটোজাইলেম পরিধির দিকে অবস্থিত

 

পর্ব -Chordata

উপ পর্ব- Vertebrata

শ্রেণী - Mammalia

বর্গ -Primates

উপপর্ব -Hominoidea

গোত্র- Hominidae

গণ- Homo

 

(a) গোলকৃমি (Round worm) - Caenorhabditis elegans 

(b) আপেল শামুক (Apple snail) - Pomacea canaliculata 

(c) জোঁক (Leech) - জোঁকের বৈজ্ঞানিক নাম প্রত্যেকটি জোঁকের জন্য বিভিন্ন প্রজাতির নাম আছে, যেগুলির মধ্যে Hirudo medicinalis একটি প্রয়োজ্য উদাহরণ। 

(d) রুইমাছ (Rohu fish) - Labeo rohita 

(e) ঘড়িয়াল (Gharial) - Gavialis gangeticus 

(f) দোয়েল (Magpie robin) - Copsychus saularis

5 ক্যাপসিড কী?

Created: 2 years ago | Updated: 7 months ago
Updated: 7 months ago

ক্যাপসিড (Capsid) হলো একটি ভাইরাসের অস্তিত্বকারী অংশ, যা ভাইরাস পাকেটে করে রাখে এবং তাকে সুরক্ষা দেয়। ক্যাপসিড একটি গোলকৃমির বৈজ্ঞানিক নাম যা ভাইরাসের জেনেটিক বা আরন্ধতা ব্যবস্থা সমর্থন করে, সার্কুলার বা অবকৃত্রিক আকৃতির সংরচনা হতে পারে। ভাইরাসের জেনেটিক তত্ত্বগুলি ক্যাপসিডে সুরক্ষা প্রাপ্ত রাখার জন্য তা আবদ্ধ থাকে। এই ক্যাপসিড আকারে পাকেট বা কোকোন বা আরফেট অথবা অন্যান্য আকৃতিতে থাকতে পারে, সেইসাথে তা ভাইরাসের প্রবেশ পর্যাপ্ত সুলভ করে এবং নিশ্চিত করে যে ভাইরাসের জেনেটিক তত্ত্বগুলি নির্বাচিত প্রাপ্ত স্থানে পৌঁছে।

6 কোরালয়েড মূল বলতে কী বুঝ?

Created: 2 years ago | Updated: 7 months ago
Updated: 7 months ago

সাইকাস উদ্ভিদের মূল কতগুলো ব্যাকটেরিয়া ও সায়ানো ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়ে সমুদ্রের কোরা লের ন্যায় আকৃতির সৃষ্টি করে এঁকে করালয়েড মূল বলে

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...