ষষ্ঠ শ্রেণি (মাধ্যমিক) - খ্রিস্ট্রধর্ম শিক্ষা - NCTB BOOK
Content added By

 

Content added By

আজকে তোমাকে একটি নতুন ধরনের কাজ করতে হতে পারে। কাজটি খুব সহজ। তুমি কবে প্রথম যীশু'র নাম শুনেছিলে?” শিক্ষক তা তোমাকে বোর্ডে লিখতে বলবেন। তুমি তা মনে করতে চেষ্টা করো। লেখার আগে তুমি একটু চিন্তা করে নিয়ো। শিক্ষক তোমাকে আরও একটি প্রশ্নের উত্তর লিখতে বলতে পারেন। সেটি হলো, “তুমি এখন যীশু'র সম্পর্কে কী জানো তিনি তোমার কাছে কে?” তোমাকে এ প্রশ্নগুলোর উত্তর খুব গভীরভাবে ভাবতে হবে, পরে খাতায় উত্তর লিখতে হবে। এটা তোমার বাড়ির কাজ।

তুমি একটুও ভয় পেয়ো না কারণ তুমি যদি মনে করতে না পার তাহলে তুমি তোমার বাবা-মা/অভিভাবকের সাথে এ বিষয় নিয়ে কথা বলে পরবর্তী সেশনে বলতে পারো। যেহেতু তোমার সময় আছে তাই তুমি তোমার বাবা-মা/অভিভাবকের কাছ থেকে জেনে নাও। এতে তোমার উত্তর দিতে সহজ হবে। যদি বাবা-মা/অভিভাবক না বুঝতে পারে তবে নিচের লেখাটি তাদের দেখাও।


প্রিয় বাবা-মা/অভিভাবক,

আপনার সন্তান/পোষ্য “যীশু কে” এ বিষয়ে আপনার সাথে আলোচনা

করতে চায়। তাকে সময় দিন। এটা তার শিখন প্রক্রিয়ার অংশ।


 

Content added By

 

Content added By

তুমি যীশু'র অনেক মানবিক ও ঐশ্বরিক গুণাবলি বিষয়ে জেনেছো। তোমার এ জানার সাপেক্ষে শিক্ষক তোমাকে আজকে একটি নতুন কাজ করতে বলবেন। কাজটির জন্য শিক্ষক প্রথমে তোমাদের দলে দলে ভাগ করে দিবেন। এরপর নিচের টেবিলটি তোমাকে দেওয়া হবে যা ব্যবহার করে তোমরা দলগত আলোচনাটি করবে এবং সাথে সাথে নিজের খাতায় টেবিলটি লিখবে এবং পূরণ করবে।

যীশু-কে নিয়ে ভাবনাঅনুসরণীয় গুণ
  
  
  
  
  

যীশু-কে নিয়ে যে কথাগুলো ভেবেছো তা বাম দিকের কলামে একটি একটি করে লিখো। এরপর ডান দিকের কলামে ঐ পরিচয়ের প্রেক্ষিতে যে অনুসরণীয় গুণটি ভূমি চিহ্নিত করতে পারো তা লিখো। টেবিলটি এরকম হতে পারে:

যীশু-কে নিয়ে ভাবনাঅনুসরণীয় গুণ
প্রথম যীশুর নাম এবং তার মান জীবনের গল্প তোমার দাদু / ঠাকুরদাদার কাছেদয়ালু যওয়া পরোপকারী রওয়া ক্ষমাশীল
  
  
  

কাজটি শেষ হলে শিক্ষক পূরণকৃত টেবিলগুলো জমা নিবেন। সবগুলো টেবিল থেকে পাওয়া অনুসরণীয় গুণগুলো একত্রিত করে শিক্ষক বোর্ডে লিখবেন। যীশু'র গুণ এবং যীশু-কে নিয়ে আরো জানবে সামনের সেশনগুলোতে।

 

Content added By

আজকে শিক্ষক বাইবেল বা শিশুতোষ বাইবেল থেকে মথি ১৬:১৩-২০ ও যোহন ১:১,১৪ পদ শ্রেণিকক্ষে তোমাদের পাঠ করে শোনাবেন। শিক্ষক যখন পাঠ করবেন তখন খুব ভালো করে শোনো। কোনো বিষয় অস্পষ্ট থাকলে শিক্ষকের কাছে জেনে নিয়ো।

যীশু ঈশ্বর পুত্র। তিনি মানুষ বেশে এ পৃথিবীতে এসেছেন। তাঁর মানবিক ও ঐশ্বরিক কাজ দেখে তাঁর সময়ের মানুষের মনে প্রশ্ন জেগেছে তিনি আসলে কে। যীশুর জীবন ও পবিত্র বাইবেল “যীশু কে” এ প্রশ্নের উত্তর জানতে আমাদের সাহায্য করে। চলো দেখি পবিত্র বাইবেলে এ বিষয়ে কী লেখা আছে।

 

পরে যীশু যখন কৈসরিয়া-ফিলিপি এলাকায় গেলেন তখন শিষ্যদের জিজ্ঞাসা করলেন, “মনুষ্যপুত্র কে, এই বিষয়ে লোকে কি বলে?” তাঁরা বললেন, “কেউ কেউ বলে আপনি বাপ্তিস্মদাতা যোহন, কেউ কেউ বলে এলিয়, আবার কেউ কেউ বলে ফিরমিয় বা নবীদের মধ্যে একজন।" তখন তিনি তাঁদের বললেন, কিন্তু তোমরা কি বল, আমি কে?” শিমোন-পিতর বললেন, “আপনি সেই মশীহ, জীবন্ত ঈশ্বরের পুত্র।" উত্তরে যীশু তাঁকে বললেন, “শিমোন বার-ঘোনা, তুমি ধন্য, কারণ কোন মানুষ তোমার কাছে এটা প্রকাশ করে নি; আমার স্বর্গস্থ পিতাই প্রকাশ করেছেন। আমি তোমাকে বলছি, তুমি পিতর, আর এই পাথরের উপরেই আমি আমার মণ্ডলী পড়ে তুলবো। নরকের কোন শক্তিই তার উপর জয়লাভ করতে পারবে না। আমি তোমাকে স্বর্ণ-রাজ্যের চাবিগুলো দেব, আর তুমি এই পৃথিবীতে যা বাঁধবে তা স্বর্গেও বেঁধে রাখা হবে এবং যা খুলবে তা স্বর্গেও খুলে দেওয়া হবে।" এর পরে তিনি তাঁর শিষ্যদের সাবধান করে দিলেন যেন তাঁরা কাউকে না বলেন যে, তিনিই মশীহ।

তোমাকে একটু সহজ করে বলি

 লোকেরা যীশু সম্পর্কে কী বলেন, যীশু তা শিষ্যদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন। আর শিষ্যরা তা যীশুকে বলেছিলেন। কেউ যীশুকে এলিয়, ফিরমিয়, আবার কেউ বলে যীশু নবীদের মধ্যে একজন ইত্যাদি। তখন যীশু শিষ্যদের কাছে জানতে চাইলেন যে শিখারা যীশু সম্পর্কে কী ভাবে। তখন শিমোন-পিতর গভীর বিশ্বাস নিয়ে বললেন যে যীশু সেই জীবন্ত মশীহ, জীবন্ত ঈশ্বরের পুত্র। যীশু তাদের বললেন যে পিতরের বিশ্বাসের ওপর তিনি মণ্ডলী স্থাপন করবেন। সেই মণ্ডলী জগতের কোনো মন্দ শক্তি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। তারপর যীশু তাদের সুখবর প্রচারের ও আরোগ্য করার শক্তি প্রদান করলেন। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে যীশু কে, যীশুর ক্ষমতা ও যীশু যে অন্যদের থেকে আলাদা তা আমরা বুঝতে পারি। আমরা এও বুঝতে পারি যে যীশু মানুষের বেশে ঈশ্বর-পুত্র হয়ে পৃথিবীতে এসেছেন।

প্রথমেই বাক্য ছিলেন, বাক্য ঈশ্বরের সঙ্গে ছিলেন এবং বাকা নিজেই ঈশ্বর ছিলেন।

 

সেই বাক্যই মানুষ হয়ে জন্মগ্রহণ করলেন এবং আমাদের মধ্যে বাস করলেন। পিতা ঈশ্বরের একমাত্র পুত্র হিসাবে তাঁর যে মহিমা সেই মহিমা আমরা দেখেছি। তিনি দয়া ও সত্যে পূর্ণ।

 

তোমাকে একটু সহজ করে বলি

যীশু নিজেই বাক্য ছিলেন। এখানে বাক্য বলতে ঈশ্বরকে বোঝানো হয়েছে, একই সাথে ঈশ্বরের অসী ক্ষমতাকেও বোঝানো হয়েছে। সেই থাকা দ্বারা সবকিছু সৃষ্টি হয়েছিলো। যীশু নিজেই ঈশ্বর। তিনি ঈশ্বরের সঙ্গে স্বর্গে থাকতেন। তিনি মানব বেশে পৃথিবীতে আসলেন। যেন পাপী মানুষ পাপ থেকে মুক্ত হয়।

যীশু খ্রীষ্টের মানুষ হওয়ার মধ্য দিয়ে পৃথিবীর মানুষ ঈশ্বরের মহিমা দেখতে পেয়েছে। যীশু খ্রীষ্ট দয়া ও সত্যে পরিপূর্ণ। তিনি দয়াবান এবং সত্যময় ঈশ্বর। আমরাও যীশুর মতো দয়াবান ও সত্যবাদী হব।।

 

Content added || updated By

শিক্ষক আজ তোমাদের দুই/তিনজনকে হয়তো লুক ৩:১০-১৪ পদ ও ১৬:১-১৮ পদগুলো ধারাবাহিকভাবে পাঠ করতে বলবেন। তোমাকেও একটি অংশ পাঠ করতে হবে। পাঠ করার সময় শুদ্ধভাবে উচ্চারণ করো। তোমার শ্রেণির অনারা কীভাবে উচ্চারণ করে তাও খেয়াল রাখো। শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে লুক ৩:১০-১৪, ১৬:১-১৮ পদের আলোকে সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ বিষয়ে আলোচনা করবেন। তুমি না বুঝলে শিক্ষককে জিজ্ঞেস করো, শিক্ষক তোমাকে বুঝিয়ে বলবেন।

পরিবারে ও সমাজে ভালো জীবন যাপন করতে হলে আমাদের কিছু সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ অর্জন করতে হবে। চলো যীশু এ বিষয়ে কী বলেছেন তা পাঠ করি।

 

তখন লোকেরা যোহনকে জিজ্ঞাসা করল, “তাহলে আমরা কি করব? যোহন তাদের বললেন, “যদি কারও দুটা জানা থাকে তবে যার জামা নেই সে তাকে একটা দিক। যার খাবার আছে সেও সেই রকম করুক।” কয়েকজন কর আদায়কারী বাপ্তিস্ম গ্রহণ করবার জন্য এসে যোহনকে বলল, "গুরু, আমরা কি করব? তিনি তাদের বললেন, “আইনে যা আছে তার বেশী আদায় কোরো না।” কয়েকজন সৈন্যও তাঁকে জিজ্ঞাসা করল, “আর আমরা কি করব?" তিনি সেই সৈন্যদের বললেন, “জুলুম করে বা অন্যায়ভাবে দোষ দেখিয়ে কারও কাছ থেকে কিছু আদায় কোরো না এবং তোমাদের বেতনেই সন্তুষ্ট থেকো।"

 

তোমাকে একটু সহজ করে বলি 

যীশু আমাদের মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে বলেছেন। গরিব, অসহায় ও অবহেলিত মানুষদের সাহায্য করা আমাদের দায়িত্ব। আমরা অন্যায়ভাবে কারও কাছ থেকে কিছু গ্রহণ করব না। মানুষের কাছ থেকে পাওনার অতিরিক্তও কিছু গ্রহণ করা অন্যায়। জোর করেও কিছু আদায় করব না। নিজের অর্জিত অর্থে আমরা সন্তুষ্ট থাকব। সমাজের সব ধরনের মানুষের সাথে ভালো আচরণ করার শিক্ষা যীশুর জীবন থেকে আমরা নিতে পারি।

 

যীশু তাঁর শিষ্যদের বললেন, “কোন এক ধনী লোকের প্রধান কর্মচারীকে এই বলে দোষ দেওয়া হল যে, সে তার মনিবের ধন-সম্পত্তি নষ্ট করছে। তখন ধনী লোকটি তাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন, 'তোমার সম্বন্ধে আমি এ কি শুনছি? তোমার কাজের হিসাব দাও, কারণ তুমি আর প্রধান কর্মচারী থাকতে পারবে না"। "

 

“তখন সেই কর্মচারী মনে মনে বলল, “আমি এখন কি করি? আমার মনিব তো আমাকে চাকরি থেকে ছাড়িয়ে দিচ্ছেন। মাটি কাটবার শক্তি আমার নেই, আবার ভিক্ষা করতেও লজ্জা লাগে। যা হোক, চাকরি থেকে বরখাস্ত হলে পর লোকে যাতে আমাকে তাদের বাড়ীতে থাকতে দেয় সেইজন্য আমি কি করব তা আমি জানি।"

 

“এই বলে যারা তার মনিবের কাছে ধার করেছিলো তাদের প্রত্যেককে সে ডাকল। তারপর সে প্রথম জনকে জিজ্ঞাসা করল, 'আমার মনিবের কাছে তোমার ধার কত?' সে বলল, 'দু' হাজার চারশো লিটার তেল।' সেই কর্মচারী তাকে বলল, * যে কাগজে তোমার ধারের কথা লেখা আছে সেটা নাও এবং শীঘ্র বসে এক হাজার দু'শো লেখ।' সেই কর্মচারী তারপর আর একজনকে বলল, 'তোমার ধার কত?" সে বলল, 'আঠার টন গম।' কর্মচারীটি বলল, 'তোমার কাগজে সাড়ে চৌদ্দ টন লেখ।' সেই কর্মচারী অসৎ হলেও বুদ্ধি করে কাজ করল বলে মনিব তার প্রশংসা করলেন।

 

এতে বোঝা যায় যে, এই জগতের লোকেরা নিজেদের মত লোকদের সঙ্গে আচার- ব্যবহারে আলোর রাজ্যের লোকদের চেয়ে বেশী বুদ্ধিমান। আমি তোমাদের বলছি, এই মন্দ জগতের ধন দ্বারা লোকদের সঙ্গে বন্ধুত্ব কর, যেন সেই ধন ফুরিয়ে গেলে পর চিরকালের থাকবার জায়গায় তোমাদের গ্রহণ করা হয়। সামান্য ব্যাপারে যে বিশ্বাসযোগ্য সে বড় ব্যাপারেও বিশ্বাসযোগ্য হয়। সামান্য ব্যাপারে যাকে বিশ্বাস করা যায় না তাকে বহু ব্যাপারেও বিশ্বাস করা যায় না। এই জগতের ধন-সম্পত্তির ব্যাপারে যদি তোমাদের বিশ্বাস করা না যায় তবে কে তোমাদের বিশ্বাস করে আসল ধন দেবে? অন্যের অধিকারে যা আছে তা ব্যবহার করবার ব্যাপারে যদি তোমাদের বিশ্বাস করা না যায়, তবে তোমাদের নিজেদের অধিকারের জন্য কেউ কি তোমাদের কিছু দেবে?

 

“কোন দাস দু'জন কর্তার সেবা করতে পারে না, কারণ সে একজনকে ঘৃণা করবে

ও অন্যজনকে ভালবাসবে, কিম্বা সে একজনের প্রতি মনোযোগ দেবে ও অন্যজনকে তুচ্ছ করবে। ঈশ্বর ও ধন-সম্পত্তি এই দু'য়েরই সেবা তোমরা একসঙ্গে করতে পার না।”

এই সব কথা শুনে ফরীশীরা যীশুকে ঠাট্টা করতে লাগলেন, কারণ তারা টাকা-পয়সা বেশী ভালবাসতেন। তখন যীশু তাঁদের বললেন, "আপনারা লোকদের সামনে নিজেদের ধার্মিক

দেখিয়ে থাকেন কিন্তু ঈশ্বর আপনাদের মনের অবস্থা জানেন। মানুষ যা সম্মানিত মনে করে ঈশ্বরের চোখে তা ঘৃণার যোগ্য।

* বাপ্তিস্মদাতা যোহনের সময় পর্যন্ত মোশির আইন-কানুন এবং নবীদের লেখা চলত। তারপর থেকে ঈশ্বরের রাজ্যের সুখবর প্রচার করা হচ্ছে এবং সবাই আগ্রহী হয়ে। জোরের সঙ্গে সেই রাজ্যে ঢুকছে। তবে আইন-কানুনের একটা বিন্দু বাদ। পড়বার চেয়ে বরং আকাশ ও পৃথিবী শেষ হওয়া সহজ।"

 

তোমাকে একটু সহজ করে বলি

জীবনে সততা ও ন্যায্যতা ধারণ করে আমাদের জীবন যাপন করতে হবে। মিথ্যা কথা বলা থেকে বিরত থাকব এবং অন্যের সম্পত্তির প্রতি লোভ করব না। অন্য মানুষের কোনো কিছুতেই লোভ করব না। মিথ্যা বলে অতিরিক্ত গ্রহণ করা থেকে নিজেকে সংযত রাখব। মানুষের সাথে প্রতারণা করব না। ধনের মোহ থেকে দূরে থাকব। সব ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত থাকতে হবে, ছোট বিষয়ে হোক কি বহু বিষয়ে হোক। একই সময় ধন ও ঈশ্বরকে ভালোবাসা যায় না। ধন-সম্পদ বুদ্ধির সাথে ব্যবহার করে মানুষের উপকার করব। ঈশ্বরকে হৃদয় দিয়ে ভালোবাসব। প্রিয় মানুষকে পরিত্যাগ করা যাবে না। ঈশ্বরের রাজ্যে সুখে বসবাস করার জন্য পৃথিবীর মানুষের সাথে মিলেমিশে থাকব।

 

সাক্ষাৎকারের বাড়ির কাজ

তোমাকে একটি সাক্ষাৎকার নিতে হবে। কীভাবে সাক্ষাৎকার নিতে হয় শিক্ষক তা তোমাকে বুঝিয়ে বলবেন। শিক্ষক তোমাকে জিজ্ঞেস করবেন যে তুমি কখনও টেলিভিশন বা কোথাও কারও সাক্ষাৎকার দেখেছো কি-না। তিনি তোমাকে তোমার কোনো একজন প্রতিবেশীর সাক্ষাৎকার নিতে বলবেন। ঐ প্রতিবেশীকে যে প্রশ্নটি করতে হবে তা হলো, “আপনি আমাকে এমন একটি কাজ বলুন যে কাজটি করতে যীশু আপনাকে অনুপ্রাণিত করেছেন।" তুমি যখন সাক্ষাৎকার নিবে তখন তার কথাগুলো খুব ভালো করে শুনো। সাথে সাথে খাতায় লিখে রেখো। তুমি যদি খাতায় না লিখো তাহলে পরে ভুলে যেতে পারো। তুমি তাকে প্রশ্ন করতে পার, নিজের কথা বলতে পারো, তবে তার কথাগুলো বেশি করে শুনো। তুমি যদি একাধিক প্রতিবেশীর সাক্ষাৎকার নিতে চাও, নিতে পারো।

তোমাকে কিন্তু ঐ উত্তরগুলো পরবর্তী সেশনে শিক্ষকের কাছে জমা দিতে হবে।

 

Content added By