একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি বোর্ড পরীক্ষা সহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফল হওয়ার জন্য সঠিক প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র অধ্যয়ন করলে প্রশ্নের কাঠামো, প্রশ্নের ধরন এবং পরীক্ষার প্রবণতা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়। নিয়মিত মডেল টেস্ট এবং প্রশ্নব্যাংক ব্যবহার করে পরীক্ষার প্রস্তুতি আরও জোরদার করা যায়।
2023 সালের ময়মনসিংহ বোর্ড এর একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি বাংলা MCQ প্রশ্নব্যাংক এর মাধ্যমে আপনি পাবেন অধ্যায়ভিত্তিক সাজানো, ব্যাখ্যাসহ সঠিক সমাধান, যা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত কার্যকর। এই প্রশ্নব্যাংক থেকে আপনি পাবেন লাইভ টেস্ট, PDF ডাউনলোড সুবিধা এবং ভিডিও টিউটোরিয়ালসহ একটি সম্পূর্ণ প্রস্তুতি প্ল্যাটফর্ম।
বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক থেকে যা পাবেন:
এটি কেবল প্রশ্নের সমাধান নয়, বরং ময়মনসিংহ বোর্ড বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সম্পূর্ণ গাইডলাইন — যা 2023 সালের একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি বাংলা পরীক্ষায় আপনাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।
আপনি কি 2023 সালের ময়মনসিংহ বোর্ড এর একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি বাংলা MCQ প্রশ্নের নির্ভুল এবং আপডেটেড সমাধান খুঁজছেন? তাহলে আপনি একদম সঠিক জায়গায় এসেছেন! Satt Academy দিচ্ছে পুরোপুরি রিভিউকৃত, অধ্যায়ভিত্তিক সাজানো, এবং সর্বশেষ সিলেবাস অনুযায়ী MCQ প্রশ্নব্যাংক।
বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র MCQ, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি শ্রেণি বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র প্রশ্ন, ময়মনসিংহ বোর্ড বাংলা 2023, বাংলা MCQ ময়মনসিংহ বোর্ড 2023, Satt Academy বাংলা Question Bank, Chapter-wise বাংলা Questions, ময়মনসিংহ বোর্ড MCQ সমাধান, বাংলা MCQ PDF Download, বাংলা Live Test ময়মনসিংহ বোর্ড
সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানি জমি, বসত-বাড়ি, পুকুরসহ কয়েক একর সম্পত্তির মালিক হয়। এই সম্পত্তির উপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্ঞাতি দেওর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একবার সৌদামিনী দুর্ভিক্ষের সময় ধানখেতের পাশে একটি মানব শিশু খুঁজে পায়। অসহায় অসুস্থ শিশুটিকে সে তুলে এনে পরম যত্নে সন্তানের মতো লালন-পালন করে। মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে যে নমঃশূদ্রের ঘরে ব্রাহ্মণ সন্তান পালিত হচ্ছে। এ যে মহাপাপ। সমাজের জাত-ধর্ম সব শেষ হয়ে গেল।
শোভনা গ্রামের শিক্ষিত পরোপকারী সন্তান সুভাষ। সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়া শেষ করে গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবন মান পরিবর্তন, শিক্ষা বিস্তার ও বাল্যবিবাহ রোধে গড়ে তুলেছে- 'যুব সংঘ' নামক একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন সে গ্রামের বাড়ি বাড়ি যেয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের জীবন মান উন্নয়নের চেষ্টা করে। এলাকার অনেকেই এ কাজকে প্রশংসা করলেও নিন্দুকেরা নিন্দা করতে ছাড়েনি। কিন্তু সুভাষ নিন্দুকদের কথায় কান না দিয়ে তার কাজে অটল থেকেছে। কারণ সে জানে জাতি শিক্ষিত হলে সমাজের কুসংস্কার দূর হবে ।
জাকির ও জীবন দুই ভাই। লেখাপড়ায় ভালো, সমাজের উন্নয়নমূলক কাজেও তারা অংশগ্রহণ করে। তাদের পাশের গ্রামে পাহাড় ধ্বসে অনেক বাড়ি-ঘর পাহাড়ের নিচে চাপা পড়ে। সেখানে বহু মানুষ আটকা পড়ে। দুই ভাই সেখানে ছুটে যায় কিন্তু জাকির উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করলেও জীবন দাঁড়িয়ে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে এবং কিছু আর্থিক সাহায্য করে। পাশাপাশি জাকির উদ্ধার কাজ শেষে তাদের সার্বিক পুনর্বাসনের চেষ্টা করে।
সালমার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা অসহায় হয়ে পড়ে। একদিকে অর্থকষ্ট, অন্যদিকে ষোল বছর বয়সী সালমার সামাজিক নিরাপত্তা, সব মিলিয়ে সালমার মা দিশেহারা হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় সালমার বিধবা খালা তাদের বাড়িতে এসে সালমার দেখাশুনার ভার নেয়। সালমার মা-খালা অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে নিজেদের খাওয়া পরা চালায়। এভাবেই তারা জীবনের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার চেষ্টা করে।
মাদার তেরেসা অকৃত্রিম মাতৃস্নেহের আধার ছিলেন। আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত হয়েও তিনি তাঁর কাজের জন্য সারা পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে আছেন। ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতায় মিশনারিজ অব চ্যারিটি হোমে সমগ্র পৃথিবীর দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের জন্য কাজ করেন। এই কাজের জন্য ১৯৭৯ সালে তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়। সেই পুরস্কারের সমস্ত অর্থ তিনি সেবার কাজে ব্যয় করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি মারা যান। কিন্তু পৃথিবীর মানুষ আজও তাঁর নাম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?